এখন নিভন্ত রাত বৈশাখের
যে আগুন একান্ত নারীর
তা খুবলে খেয়েছে অন্যপুরুষ
আর আমি অসুখে অ-সুস্থ,
নিজস্ব আঁধার পেরিয়ে
ছিল নরম জলের ঝিল
স্বপ্নবাগান,
সভ্যতার ক্ষুধার্ত চুম্বনে তা-ই
বহুতল বাণিজ্যিক ভবন
দূষিত লেকের গা-ঘেঁষে
আমি উদ্বাস্তু, উন্মাদ
ব্যাকরণে ব্যর্থ বারবার,
এ শহর
নর্দমা আর আস্তাকুঁড়ের যাদুঘর
আমার জন্য বরাদ্দকৃত নরক,
বিলুপ্তির আশংকায়
নৈসর্গকে ধরা হয়েছে সেলুলয়েডে
কেননা ব্যাপক মুনাফার সম্ভাবনা
বাহ্ বাহ্ ।।
শুক্রবার, ১৪ মে, ২০১০
কথনঃ ১৪ মে ২০১০
পরাজিত সৈনিক যেভাবে হাঁটে ঠিক সেভাবে
কেউ একজন বলেছিল পিছু হটা বারণ
সেরেব্রালে অসহ্য যন্ত্রণা,
বৃক্ষরা বৃষ্টি পেলে সুন্দর হয়
বেদনার মতন কালো কালো অক্ষরগুলো
বিকট চিৎকারে কোরাস গায়,
নির্মাণ না ধ্বংস, কার পক্ষে যাবে সভ্যতা ;
মানুষ দেখতে দেখতে
ক্রমাগত দেউলিয়া মানুষ ভালবেসে
যত বিদগ্ধ মানুষ ভালবাসা বোঝে
প্রবঞ্চক, প্রবঞ্চক এবং প্রবঞ্চক,
স্লিভলেস অশ্লীলতায় ভরপুর ভোগবাদ
বহুল ব্যবহৃত বাণিজ্যিক পণ্য,
জনগণ আড়চোখে দেখে ভাবে বিপরীত
কলম - কাগজের অস্বাভাবিক সংকট
কমে যাচ্ছে কবিতার শরীর ;
পরাজিত মানুষ যেভাবে বাঁচে অনেকটা সেভাবে
কে যেন বলেছিল ভাল থাকা বারণ
পাঁজরের অগোছালো কষ্ট,
বুড়ো বাড়িগুলোর ভাগ্যে অম্ল-বৃষ্টি
আবর্জনার রাজ্যে কালো কালো কাকবৃন্দ
গম্ভীর হয়ে আছেন,
প্রতিপত্তি না সুখ, কোনদিকে যাবে মানুষ ।।
কেউ একজন বলেছিল পিছু হটা বারণ
সেরেব্রালে অসহ্য যন্ত্রণা,
বৃক্ষরা বৃষ্টি পেলে সুন্দর হয়
বেদনার মতন কালো কালো অক্ষরগুলো
বিকট চিৎকারে কোরাস গায়,
নির্মাণ না ধ্বংস, কার পক্ষে যাবে সভ্যতা ;
মানুষ দেখতে দেখতে
ক্রমাগত দেউলিয়া মানুষ ভালবেসে
যত বিদগ্ধ মানুষ ভালবাসা বোঝে
প্রবঞ্চক, প্রবঞ্চক এবং প্রবঞ্চক,
স্লিভলেস অশ্লীলতায় ভরপুর ভোগবাদ
বহুল ব্যবহৃত বাণিজ্যিক পণ্য,
জনগণ আড়চোখে দেখে ভাবে বিপরীত
কলম - কাগজের অস্বাভাবিক সংকট
কমে যাচ্ছে কবিতার শরীর ;
পরাজিত মানুষ যেভাবে বাঁচে অনেকটা সেভাবে
কে যেন বলেছিল ভাল থাকা বারণ
পাঁজরের অগোছালো কষ্ট,
বুড়ো বাড়িগুলোর ভাগ্যে অম্ল-বৃষ্টি
আবর্জনার রাজ্যে কালো কালো কাকবৃন্দ
গম্ভীর হয়ে আছেন,
প্রতিপত্তি না সুখ, কোনদিকে যাবে মানুষ ।।
একজন পাথর ভাঙ্গা শ্রমিক (১৪ মে ২০১০)
তিনি পাথর ভেঙ্গে থাকেন
বিছিয়ে দিয়ে কুচকুচে পিচ
পথ গড়ে দেন,
যোগাযোগ গাঢ় হয়
দেখতে দেখতেই
আমরা রূচিশীল, আধুনিক
আর সূর্যের উত্তপ্ত সহবাসে
জ্বলতে জ্বলতে তিনি বৃদ্ধ
চুলের সিঁথিতে পরিপাট্য নেই বহুকাল,
আমাদের ধর্ম, রাজনীতি, মূল্যবোধ
তিনি বুঝবেননা কোনদিন
কেবল ক্ষুধা আর দারিদ্র্য বোঝেন,
আমরা তো হরেক রঙে সাজাই শরীর
ভীষণ সভ্য আর উচ্চশিক্ষিত তাই
মেঘের গায়ে আবাস গড়ি,
উনার কেবল অসুখের ওষুধ হয় না
বউ ঘরে থাকে না
ছেলেটা চুরি করে, মেয়েটা হারিয়ে যায়
পরনে সুসভ্য বস্ত্র নেই বলে উনি লজ্জিত
আর আমরা কি দারুণ সভ্য
সচেতন মস্তিষ্কে গড়ি জীর্ণ বস্ত্রের ফ্যাশন,
চতুর্দিকে নানান ভাঙ্গন
রাস্তাঘাট, অবৈধস্থাপনা আর হৃদয়,
উনি দেখেন আর পাথর ভেঙ্গে যান
নোটিশবিহীন মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ।।
বিছিয়ে দিয়ে কুচকুচে পিচ
পথ গড়ে দেন,
যোগাযোগ গাঢ় হয়
দেখতে দেখতেই
আমরা রূচিশীল, আধুনিক
আর সূর্যের উত্তপ্ত সহবাসে
জ্বলতে জ্বলতে তিনি বৃদ্ধ
চুলের সিঁথিতে পরিপাট্য নেই বহুকাল,
আমাদের ধর্ম, রাজনীতি, মূল্যবোধ
তিনি বুঝবেননা কোনদিন
কেবল ক্ষুধা আর দারিদ্র্য বোঝেন,
আমরা তো হরেক রঙে সাজাই শরীর
ভীষণ সভ্য আর উচ্চশিক্ষিত তাই
মেঘের গায়ে আবাস গড়ি,
উনার কেবল অসুখের ওষুধ হয় না
বউ ঘরে থাকে না
ছেলেটা চুরি করে, মেয়েটা হারিয়ে যায়
পরনে সুসভ্য বস্ত্র নেই বলে উনি লজ্জিত
আর আমরা কি দারুণ সভ্য
সচেতন মস্তিষ্কে গড়ি জীর্ণ বস্ত্রের ফ্যাশন,
চতুর্দিকে নানান ভাঙ্গন
রাস্তাঘাট, অবৈধস্থাপনা আর হৃদয়,
উনি দেখেন আর পাথর ভেঙ্গে যান
নোটিশবিহীন মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ।।
শুক্রবার, ৭ মে, ২০১০
পাঁজরের প্রাসঙ্গিক পুঁথি (০৩ মে, ২০১০)
প্রাকৃত সমুদ্রঘ্রাণ পর্যাপ্ত নয় দাসের শরীরে
মনিবের কড়া চোখ মৌলিক লাল সংগত সন্দেহে,
ডানে-বাঁয়ে রাষ্ট্রনীতি অগণন তুমুল আন্দোলন
রক্তিম দূর্বায় সুসজ্জিত বারংবার সময়ের প্রাঙ্গণ,
জাগে মানবিক ঝড় ভিখিরীরা অজগর
বিঃধ্বস্ত সভ্যতা শহর বর্বর,
কালনীর গাঢ় বুক, নিবু নিবু লণ্ঠন
দেবীর শরীর লোটে প্রাজ্ঞ পুরোহিত
প্রাসঙ্গিক দুর্যোগে বিলুপ্ত ঈশ্বর;
নষ্ট সংসার, আদিম মাংসে পুরে কামের শরীর
বালিকা ধর্ষক শেষে মহা বৈষয়িক
নাব্য নিবিড় স্নানে বাক্যরাও জৈবিক
লাঞ্ছিত পৃথিবী, রক্তের বিন্দুতে পর্যাপ্ত স্থির ।।
মনিবের কড়া চোখ মৌলিক লাল সংগত সন্দেহে,
ডানে-বাঁয়ে রাষ্ট্রনীতি অগণন তুমুল আন্দোলন
রক্তিম দূর্বায় সুসজ্জিত বারংবার সময়ের প্রাঙ্গণ,
জাগে মানবিক ঝড় ভিখিরীরা অজগর
বিঃধ্বস্ত সভ্যতা শহর বর্বর,
কালনীর গাঢ় বুক, নিবু নিবু লণ্ঠন
দেবীর শরীর লোটে প্রাজ্ঞ পুরোহিত
প্রাসঙ্গিক দুর্যোগে বিলুপ্ত ঈশ্বর;
নষ্ট সংসার, আদিম মাংসে পুরে কামের শরীর
বালিকা ধর্ষক শেষে মহা বৈষয়িক
নাব্য নিবিড় স্নানে বাক্যরাও জৈবিক
লাঞ্ছিত পৃথিবী, রক্তের বিন্দুতে পর্যাপ্ত স্থির ।।
শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১০
বৈপরীত্য (২৩ এপ্রিল ২০১০)
তোমার স্নানের জন্য অপেক্ষায় ছিল পৃথিবীর শুদ্ধতম জল
আর সহস্র বৎসর ব্যবধানে কোন জল নেই
তবু আমি সিক্ত নিজস্ব জলে,
শরীরের প্রতিটি অধ্যায়ে সাজিয়েছ এক একটি শিল্প বিপ্লব
এই দ্যাখো আমার গায়ের ক্ষতগুলো
এক একটি যুদ্ধ, এক একটি ধ্বংসের সাক্ষী,
ওই চোখে ছায়া ফেলে পৃথিবীর সমুদয় রূপ
সুন্দর হ'তে তাকাও সুন্দরতরে,
আমার দৃষ্টি খাদ্য খুঁজেছে পাথরের খাঁজে, কয়লাখনির অন্ধকারে
পৌঁছে গেছি ধ্বংসস্তুপের তলায়
পূর্বপুরুষের দেহাবশেষ করেছি আবিষ্কার
তবু উল্লাস করেছি, খাদ্য আমাকে চেনে না
সে খুঁজেছে তোমাকে, তোমার মাংসল ঠোঁটে সে ধন্য,
নিজস্ব জমিনে ভীষণ ব্যক্তিগত চারটে দেয়ালের আড়ালে
তিলে তিলে গড়েছি নিজের সর্বনাশ
আশা-নিরাশার বৈপরীত্যে স্থিতিস্থাপক হয়েছে হৃদয়,
পরিত্যক্ত নগরীর জরাগ্রস্ত উরু বেয়ে নামতে নামতে
তোমায় কামনা করি,
যদিও চারপাশে শোভা পাচ্ছে অনাহারী আর মৃত মানুষের স্তুপ
প্রাচূর্যের পরাকাষ্ঠায় স্থবির জনপদ,
তবু চোয়ালে মাংসের ক্ষুধা, নাব্যতা কমে না
সে কী করে শেকলের বন্দীত্ব স্বীকার করে,
তথাকথিত আরোপিত দার্শনিকতা বিলুপ্ত
তোমায় কামনা করে আমি ফেরারী,
মহাকালের অনিবার্য কাঠগড়ায়
ধ্বংসের আশ্রয়ে বেড়ে ওঠা ঘোলাটে চোখ
বুঁজে আসে শপথের গুরুভারে,
সহস্র বৎসর ব্যবধানে তুমি আবার সভ্যতা গড়ো
আমি বারংবার ভুল ক'রে জন্মাই
খুঁড়ে চলি নিজস্ব কবর
শোষণে আহত হই
যুদ্ধে নিহত ।।
আর সহস্র বৎসর ব্যবধানে কোন জল নেই
তবু আমি সিক্ত নিজস্ব জলে,
শরীরের প্রতিটি অধ্যায়ে সাজিয়েছ এক একটি শিল্প বিপ্লব
এই দ্যাখো আমার গায়ের ক্ষতগুলো
এক একটি যুদ্ধ, এক একটি ধ্বংসের সাক্ষী,
ওই চোখে ছায়া ফেলে পৃথিবীর সমুদয় রূপ
সুন্দর হ'তে তাকাও সুন্দরতরে,
আমার দৃষ্টি খাদ্য খুঁজেছে পাথরের খাঁজে, কয়লাখনির অন্ধকারে
পৌঁছে গেছি ধ্বংসস্তুপের তলায়
পূর্বপুরুষের দেহাবশেষ করেছি আবিষ্কার
তবু উল্লাস করেছি, খাদ্য আমাকে চেনে না
সে খুঁজেছে তোমাকে, তোমার মাংসল ঠোঁটে সে ধন্য,
নিজস্ব জমিনে ভীষণ ব্যক্তিগত চারটে দেয়ালের আড়ালে
তিলে তিলে গড়েছি নিজের সর্বনাশ
আশা-নিরাশার বৈপরীত্যে স্থিতিস্থাপক হয়েছে হৃদয়,
পরিত্যক্ত নগরীর জরাগ্রস্ত উরু বেয়ে নামতে নামতে
তোমায় কামনা করি,
যদিও চারপাশে শোভা পাচ্ছে অনাহারী আর মৃত মানুষের স্তুপ
প্রাচূর্যের পরাকাষ্ঠায় স্থবির জনপদ,
তবু চোয়ালে মাংসের ক্ষুধা, নাব্যতা কমে না
সে কী করে শেকলের বন্দীত্ব স্বীকার করে,
তথাকথিত আরোপিত দার্শনিকতা বিলুপ্ত
তোমায় কামনা করে আমি ফেরারী,
মহাকালের অনিবার্য কাঠগড়ায়
ধ্বংসের আশ্রয়ে বেড়ে ওঠা ঘোলাটে চোখ
বুঁজে আসে শপথের গুরুভারে,
সহস্র বৎসর ব্যবধানে তুমি আবার সভ্যতা গড়ো
আমি বারংবার ভুল ক'রে জন্মাই
খুঁড়ে চলি নিজস্ব কবর
শোষণে আহত হই
যুদ্ধে নিহত ।।
শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১০
সকালটা উঠলেই
সকালটা উঠলেই, রাতটাকে মনে পড়ে বড়ো বেশি
দুপুর বিকেল শেষে, সন্ধ্যেটা পাশে বসে
রাতটা উড়ে আসে ভালবেসে
তক্ষুণি মনে হয় সকালটাই ভালবাসি বোধহয়...
বারেবারে যে ফিরে আসে
তাকে মন কী করে ভালবাসে
যাকে চাই, যে আসেনা কখনই
তাকেই তো ভালবাসা যায়
ভালবাসা যায়
বড়ো বেশি রাত করে যে ঘুম নেমে আসে চোখের ঘরে
রূক্ষ দিনের মাঝে সূর্য ভীষণ বা
ভীষণ শীতের দেশে রাত্রিযাপন
পুরনো সে রেডিও বেজে চলে যদিও
এই কি বেশ নয়, জীবনের অপচয়
থেমে যাওয়া ঘড়িটাই বদলে দিচ্ছে গান
শেষমেশ বড়ো একা, নিরিবিলি টিকে থাকা
চুপ করে মরে যাওয়া
ঝরে যাওয়া
চলে যাওয়া
দুপুর বিকেল শেষে, সন্ধ্যেটা পাশে বসে
রাতটা উড়ে আসে ভালবেসে
তক্ষুণি মনে হয় সকালটাই ভালবাসি বোধহয়...
বারেবারে যে ফিরে আসে
তাকে মন কী করে ভালবাসে
যাকে চাই, যে আসেনা কখনই
তাকেই তো ভালবাসা যায়
ভালবাসা যায়
বড়ো বেশি রাত করে যে ঘুম নেমে আসে চোখের ঘরে
রূক্ষ দিনের মাঝে সূর্য ভীষণ বা
ভীষণ শীতের দেশে রাত্রিযাপন
পুরনো সে রেডিও বেজে চলে যদিও
এই কি বেশ নয়, জীবনের অপচয়
থেমে যাওয়া ঘড়িটাই বদলে দিচ্ছে গান
শেষমেশ বড়ো একা, নিরিবিলি টিকে থাকা
চুপ করে মরে যাওয়া
ঝরে যাওয়া
চলে যাওয়া
না সেঁজুতি, তুমি অন্য কারও... মেনে নেয়া অসম্ভব
আমি হয়তোবা নেই
তুমি তো আছ
তুমি কি মানতে না কখনই
আমিও ছিলাম,
যদিও ছিলনা বিশেষত্ব কোন
সেই বেঁচে থাকবার
তবু তো ছিলাম,
আমার দেখা সূর্যোদয় কিংবা সূর্যাস্ত
হাতেগোনা, পাহাড়
দেখা হয়েছে একবার,
সাগর দেখিনি...
তবু তো ছিলাম,
তুমি তিলোত্তমা ছিলে, আজও আছ,
আমি কিছুই ছিলাম না
তবু তো জড়িয়েছিলাম...
এক জোছনায়, দুধ শাদা ফুল
তোমার খোঁপায় পরিয়েছিলাম...
ছিলাম, ছিলাম
নাই বা মানো আজও আছি ।।
তুমি তো আছ
তুমি কি মানতে না কখনই
আমিও ছিলাম,
যদিও ছিলনা বিশেষত্ব কোন
সেই বেঁচে থাকবার
তবু তো ছিলাম,
আমার দেখা সূর্যোদয় কিংবা সূর্যাস্ত
হাতেগোনা, পাহাড়
দেখা হয়েছে একবার,
সাগর দেখিনি...
তবু তো ছিলাম,
তুমি তিলোত্তমা ছিলে, আজও আছ,
আমি কিছুই ছিলাম না
তবু তো জড়িয়েছিলাম...
এক জোছনায়, দুধ শাদা ফুল
তোমার খোঁপায় পরিয়েছিলাম...
ছিলাম, ছিলাম
নাই বা মানো আজও আছি ।।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)